ঢাকা ১০:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ ::
চাকরির খবর পত্রিকা ৩০ জানুয়ারি ২০২৬: ডাউনলোড করুন আজকের HD পিডিএফ (PDF) বিকেএসপিতে নিয়োগ: শিক্ষক ও প্রকৌশলীসহ ৪ ক্যাটাগরিতে চাকরি, আবেদন ফি ২০০ টাকা ওয়ালটনে ‘টেরিটরি সেলস এক্সিকিউটিভ’ পদে চাকরির সুযোগ ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজে চাকরি: ড্রাইভার পদে বিশাল নিয়োগ ২০ হাজারে এআই ফিচার! দেশে এল টেকনোর ‘Megapad SE’, জানুন বিস্তারিত শিক্ষার্থীদের জন্য ওয়ালটন ও শিখো’র ‘এডুট্যাব’: দাম ১৭,৫০০ টাকা, জানুন বিস্তারিত ফিচার ওপেনএআইয়ের প্রথম হার্ডওয়্যার: জনি আইভের ডিজাইনে আসছে চ্যাটজিপিটি ইয়ারবাডস! দেশে এল ইনফিনিক্স নোট এজ: কার্ভড ডিসপ্লে ও ৬৫০০mAh ব্যাটারির চমক, দাম কত? ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন সিলেবাস ২০২৬: স্কুল ও কলেজ পর্যায়ের পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন এনটিআরসিএ প্রতিষ্ঠানপ্রধান নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি: ফেব্রুয়ারিতে শুরুর আভাস, আসছে ১৯তম নিবন্ধন

Driving License Renewal Fee 2026: Step-by-Step Guide to Renew Without Brokers

ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন ফি ২০২৬: দালালের চক্র ছাড়াই যেভাবে করবেন (ফি ও নিয়ম)

আর এম উজ্জল
  • আপডেট সময় : ০৩:০১:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬ ২০ বার পড়া হয়েছে

Driving license renewal fee BD: গাড়ির স্টিয়ারিং যার হাতে, লাইসেন্স তার পরিচয়পত্র। কিন্তু লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হলে অনেকেই নবায়ন বা রিনিউ (Renewal) নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েন। বিআরটিএ অফিসে দীর্ঘ লাইন এবং দালালদের দৌরাত্ম্যের কথা ভেবে অনেকেই মেয়াদোত্তীর্ণ লাইসেন্স নিয়েই গাড়ি চালান, যা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

Driving license renewal fee BD

তবে সুখবর হলো, ২০২৬ সালে এসে বিআরটিএ তাদের সেবাকে অনেকটাই ডিজিটাল করেছে। এখন আপনি ‘বিআরটিএ সেবা বাতায়ন’ (BSP) অ্যাপ বা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ঘরে বসেই লাইসেন্স নবায়ন করতে পারবেন।

আজকের এই গাইডে পেশাদার ও অপেশাদার লাইসেন্স নবায়ন ফি, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইনে আবেদনের পুরো প্রক্রিয়া ধাপে ধাপে আলোচনা করা হলো।

ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন ফি ২০২৬ (চার্ট)

বিআরটিএ-এর সর্বশেষ ফি স্ট্রাকচার অনুযায়ী লাইসেন্সের ধরন এবং মেয়াদের ওপর ভিত্তি করে ফি নির্ধারণ করা হয়। নিচে ভ্যাটসহ (১৫%) পূর্ণাঙ্গ তালিকা দেওয়া হলো:

লাইসেন্সের ধরণ মেয়াদ মূল ফি (টাকা) ভ্যাটসহ মোট ফি (আনুমানিক)
অপেশাদার (Non-Professional) ১০ বছর ৪,০২৫ টাকা ৪,৪৭৮ টাকা (প্রায়)
পেশাদার (Professional) ৫ বছর ২,৫২৫ টাকা ২,৮২৯ টাকা (প্রায়)
মেয়াদোত্তীর্ণ জরিমানা প্রতি বছর ৫৭৫ টাকা (প্রতি বছরের জন্য)

দ্রষ্টব্য: এই ফির সাথে লাইসেন্স ডেলিভারির জন্য অতিরিক্ত ৬০ টাকা কুরিয়ার চার্জ যুক্ত হতে পারে। জরুরি প্রয়োজনে ‘আর্জেন্ট’ ডেলিভারির জন্য ফি বাড়তে পারে।

নবায়ন করতে কী কী কাগজপত্র লাগবে?

অনলাইনে আবেদন করার আগে নিচের কাগজগুলোর স্ক্যান কপি বা পরিষ্কার ছবি প্রস্তুত রাখুন: ১. বর্তমান ড্রাইভিং লাইসেন্সের কপি (উভয় পিঠ)। ২. জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)-এর কপি। ৩. সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি (১ কপি)। ৪. মেডিকেল সার্টিফিকেট: রেজিস্টার্ড ডাক্তার কর্তৃক পূরণকৃত ও স্বাক্ষরিত মেডিকেল রিপোর্ট। (বিআরটিএ ওয়েবসাইট থেকে ফর্ম ডাউনলোড করা যাবে)। ৫. ইউটিলিটি বিলের কপি (বিদ্যুৎ/গ্যাস) – বর্তমান ঠিকানা প্রমাণের জন্য (যদি ঠিকানা পরিবর্তন করতে চান)।

দালাল ছাড়া নবায়ন করার ৫টি ধাপ (Step-by-Step)

২০২৬ সালে লাইসেন্স নবায়নের জন্য আপনাকে বিআরটিএ অফিসে যাওয়ার প্রয়োজন নেই (যদি বায়োমেট্রিক আগে দেওয়া থাকে)।

ধাপ ১: বিএসপি (BSP) অ্যাকাউন্টে লগইন

প্রথমে bsp.brta.gov.bd-তে গিয়ে নিজের এনআইডি ও মোবাইল নম্বর দিয়ে একটি অ্যাকাউন্ট খুলুন।

ধাপ ২: মেডিকেল সার্টিফিকেট আপলোড

ড্যাশবোর্ড থেকে ‘ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন’ অপশনে যান। সেখানে ডাক্তারের স্বাক্ষরসহ মেডিকেল সার্টিফিকেটটি স্ক্যান করে আপলোড করুন। মনে রাখবেন, পেশাদার লাইসেন্সধারীদের ক্ষেত্রে ডোপ টেস্ট (Dope Test) রিপোর্টও লাগতে পারে।

ধাপ ৩: ফি পেমেন্ট (অনলাইন)

আপনার লাইসেন্সের ধরন অনুযায়ী সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফি দেখাবে। আপনি বিকাশ, নগদ, রকেট বা ডেবিট কার্ড ব্যবহার করে তাৎক্ষণিক ফি পরিশোধ করতে পারবেন।

ধাপ ৪: বায়োমেট্রিক (প্রয়োজন সাপেক্ষে)

যাদের স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স আগে থেকেই আছে, তাদের নতুন করে বায়োমেট্রিক (আঙুলের ছাপ ও ছবি) দিতে হবে না। কিন্তু যাদের পুরনো এনালগ বা পেপার লাইসেন্স, তাদের অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে একবার বিআরটিএ অফিসে গিয়ে বায়োমেট্রিক দিতে হবে।

ধাপ ৫: স্মার্ট কার্ড ডেলিভারি

সব প্রক্রিয়া শেষ হলে আপনার মোবাইলে কনফার্মেশন এসএমএস আসবে। এরপর প্রিন্ট করা ই-ড্রাইভিং লাইসেন্স (E-Driving License) দিয়ে আপনি গাড়ি চালাতে পারবেন। স্মার্ট কার্ড তৈরি হয়ে গেলে ডাকযোগে আপনার ঠিকানায় পৌঁছে যাবে।

জরিমানা এড়াতে যা জানা জরুরি

লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হওয়ার ১৫ দিন আগে থেকেই নবায়নের আবেদন করা যায়। মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আবেদন করলে প্রতি বছরের জন্য ৫৭৫ টাকা করে জরিমানা গুনতে হবে। তাই মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই আবেদন করা বুদ্ধিমানের কাজ।

সাধারণ জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)

১. পেশাদার লাইসেন্স নবায়নে কি আবার পরীক্ষা দিতে হয়? উত্তর: সাধারণত নবায়নের জন্য পরীক্ষা দিতে হয় না। তবে পেশাদার লাইসেন্সধারীদের ক্ষেত্রে বয়স ৫০ বছরের বেশি হলে পুনরায় ব্যবহারিক পরীক্ষা দিতে হতে পারে।

২. আমি কি লাইসেন্সের ধরন পরিবর্তন করতে পারব? উত্তর: নবায়নের সময় আপনি লাইসেন্সের ধরন (যেমন: হালকা থেকে ভারী) পরিবর্তন করতে পারবেন না। এর জন্য আলাদা প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়।

৩. স্মার্ট কার্ড পেতে কতদিন লাগে? উত্তর: বর্তমানে বিআরটিএ স্মার্ট কার্ড প্রিন্টিংয়ের গতি বাড়িয়েছে। সাধারণত ২ থেকে ৩ মাসের মধ্যে কার্ড পাওয়া যায়। তবে ই-লাইসেন্স দিয়ে আপনি সব কাজ চালাতে পারবেন।

দালাল ধরে অতিরিক্ত টাকা খরচ করার দিন শেষ। স্মার্ট ফোন ব্যবহার করে নিজেই নিজের লাইসেন্স নবায়ন করুন। এতে আপনার টাকা বাঁচবে এবং প্রতারণার হাত থেকেও রক্ষা পাবেন।

আরও পড়ুনবিকাশের পিন ভুলে গেছেন? ঘরে বসেই রিসেট করার ৩টি সহজ নিয়ম (USSD ও অ্যাপ)

নিউজটি শেয়ার করুন

3 thoughts on “ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন ফি ২০২৬: দালালের চক্র ছাড়াই যেভাবে করবেন (ফি ও নিয়ম)

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

আর এম উজ্জল

আর এম উজ্জল একজন অভিজ্ঞ আইটি প্রফেশনাল, ডিজিটাল মেন্টর এবং Dokkho Lab-এর প্রতিষ্ঠাতা। দীর্ঘ ৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে তিনি টেকনোলজি, ফ্রিল্যান্সিং এবং ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট নিয়ে লেখালেখি ও গবেষণা করছেন। তার মূল লক্ষ্য হলো জটিল টেকনিক্যাল বিষয়গুলোকে সহজ বাংলায় বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা এবং তাদের দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তোলা। তার প্রতিটি লেখা পাঠককে সঠিক দিকনির্দেশনা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

Driving License Renewal Fee 2026: Step-by-Step Guide to Renew Without Brokers

ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন ফি ২০২৬: দালালের চক্র ছাড়াই যেভাবে করবেন (ফি ও নিয়ম)

আপডেট সময় : ০৩:০১:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

Driving license renewal fee BD: গাড়ির স্টিয়ারিং যার হাতে, লাইসেন্স তার পরিচয়পত্র। কিন্তু লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হলে অনেকেই নবায়ন বা রিনিউ (Renewal) নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েন। বিআরটিএ অফিসে দীর্ঘ লাইন এবং দালালদের দৌরাত্ম্যের কথা ভেবে অনেকেই মেয়াদোত্তীর্ণ লাইসেন্স নিয়েই গাড়ি চালান, যা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

Driving license renewal fee BD

তবে সুখবর হলো, ২০২৬ সালে এসে বিআরটিএ তাদের সেবাকে অনেকটাই ডিজিটাল করেছে। এখন আপনি ‘বিআরটিএ সেবা বাতায়ন’ (BSP) অ্যাপ বা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ঘরে বসেই লাইসেন্স নবায়ন করতে পারবেন।

আজকের এই গাইডে পেশাদার ও অপেশাদার লাইসেন্স নবায়ন ফি, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইনে আবেদনের পুরো প্রক্রিয়া ধাপে ধাপে আলোচনা করা হলো।

ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন ফি ২০২৬ (চার্ট)

বিআরটিএ-এর সর্বশেষ ফি স্ট্রাকচার অনুযায়ী লাইসেন্সের ধরন এবং মেয়াদের ওপর ভিত্তি করে ফি নির্ধারণ করা হয়। নিচে ভ্যাটসহ (১৫%) পূর্ণাঙ্গ তালিকা দেওয়া হলো:

লাইসেন্সের ধরণ মেয়াদ মূল ফি (টাকা) ভ্যাটসহ মোট ফি (আনুমানিক)
অপেশাদার (Non-Professional) ১০ বছর ৪,০২৫ টাকা ৪,৪৭৮ টাকা (প্রায়)
পেশাদার (Professional) ৫ বছর ২,৫২৫ টাকা ২,৮২৯ টাকা (প্রায়)
মেয়াদোত্তীর্ণ জরিমানা প্রতি বছর ৫৭৫ টাকা (প্রতি বছরের জন্য)

দ্রষ্টব্য: এই ফির সাথে লাইসেন্স ডেলিভারির জন্য অতিরিক্ত ৬০ টাকা কুরিয়ার চার্জ যুক্ত হতে পারে। জরুরি প্রয়োজনে ‘আর্জেন্ট’ ডেলিভারির জন্য ফি বাড়তে পারে।

নবায়ন করতে কী কী কাগজপত্র লাগবে?

অনলাইনে আবেদন করার আগে নিচের কাগজগুলোর স্ক্যান কপি বা পরিষ্কার ছবি প্রস্তুত রাখুন: ১. বর্তমান ড্রাইভিং লাইসেন্সের কপি (উভয় পিঠ)। ২. জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)-এর কপি। ৩. সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি (১ কপি)। ৪. মেডিকেল সার্টিফিকেট: রেজিস্টার্ড ডাক্তার কর্তৃক পূরণকৃত ও স্বাক্ষরিত মেডিকেল রিপোর্ট। (বিআরটিএ ওয়েবসাইট থেকে ফর্ম ডাউনলোড করা যাবে)। ৫. ইউটিলিটি বিলের কপি (বিদ্যুৎ/গ্যাস) – বর্তমান ঠিকানা প্রমাণের জন্য (যদি ঠিকানা পরিবর্তন করতে চান)।

দালাল ছাড়া নবায়ন করার ৫টি ধাপ (Step-by-Step)

২০২৬ সালে লাইসেন্স নবায়নের জন্য আপনাকে বিআরটিএ অফিসে যাওয়ার প্রয়োজন নেই (যদি বায়োমেট্রিক আগে দেওয়া থাকে)।

ধাপ ১: বিএসপি (BSP) অ্যাকাউন্টে লগইন

প্রথমে bsp.brta.gov.bd-তে গিয়ে নিজের এনআইডি ও মোবাইল নম্বর দিয়ে একটি অ্যাকাউন্ট খুলুন।

ধাপ ২: মেডিকেল সার্টিফিকেট আপলোড

ড্যাশবোর্ড থেকে ‘ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন’ অপশনে যান। সেখানে ডাক্তারের স্বাক্ষরসহ মেডিকেল সার্টিফিকেটটি স্ক্যান করে আপলোড করুন। মনে রাখবেন, পেশাদার লাইসেন্সধারীদের ক্ষেত্রে ডোপ টেস্ট (Dope Test) রিপোর্টও লাগতে পারে।

ধাপ ৩: ফি পেমেন্ট (অনলাইন)

আপনার লাইসেন্সের ধরন অনুযায়ী সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফি দেখাবে। আপনি বিকাশ, নগদ, রকেট বা ডেবিট কার্ড ব্যবহার করে তাৎক্ষণিক ফি পরিশোধ করতে পারবেন।

ধাপ ৪: বায়োমেট্রিক (প্রয়োজন সাপেক্ষে)

যাদের স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স আগে থেকেই আছে, তাদের নতুন করে বায়োমেট্রিক (আঙুলের ছাপ ও ছবি) দিতে হবে না। কিন্তু যাদের পুরনো এনালগ বা পেপার লাইসেন্স, তাদের অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে একবার বিআরটিএ অফিসে গিয়ে বায়োমেট্রিক দিতে হবে।

ধাপ ৫: স্মার্ট কার্ড ডেলিভারি

সব প্রক্রিয়া শেষ হলে আপনার মোবাইলে কনফার্মেশন এসএমএস আসবে। এরপর প্রিন্ট করা ই-ড্রাইভিং লাইসেন্স (E-Driving License) দিয়ে আপনি গাড়ি চালাতে পারবেন। স্মার্ট কার্ড তৈরি হয়ে গেলে ডাকযোগে আপনার ঠিকানায় পৌঁছে যাবে।

জরিমানা এড়াতে যা জানা জরুরি

লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হওয়ার ১৫ দিন আগে থেকেই নবায়নের আবেদন করা যায়। মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আবেদন করলে প্রতি বছরের জন্য ৫৭৫ টাকা করে জরিমানা গুনতে হবে। তাই মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই আবেদন করা বুদ্ধিমানের কাজ।

সাধারণ জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)

১. পেশাদার লাইসেন্স নবায়নে কি আবার পরীক্ষা দিতে হয়? উত্তর: সাধারণত নবায়নের জন্য পরীক্ষা দিতে হয় না। তবে পেশাদার লাইসেন্সধারীদের ক্ষেত্রে বয়স ৫০ বছরের বেশি হলে পুনরায় ব্যবহারিক পরীক্ষা দিতে হতে পারে।

২. আমি কি লাইসেন্সের ধরন পরিবর্তন করতে পারব? উত্তর: নবায়নের সময় আপনি লাইসেন্সের ধরন (যেমন: হালকা থেকে ভারী) পরিবর্তন করতে পারবেন না। এর জন্য আলাদা প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়।

৩. স্মার্ট কার্ড পেতে কতদিন লাগে? উত্তর: বর্তমানে বিআরটিএ স্মার্ট কার্ড প্রিন্টিংয়ের গতি বাড়িয়েছে। সাধারণত ২ থেকে ৩ মাসের মধ্যে কার্ড পাওয়া যায়। তবে ই-লাইসেন্স দিয়ে আপনি সব কাজ চালাতে পারবেন।

দালাল ধরে অতিরিক্ত টাকা খরচ করার দিন শেষ। স্মার্ট ফোন ব্যবহার করে নিজেই নিজের লাইসেন্স নবায়ন করুন। এতে আপনার টাকা বাঁচবে এবং প্রতারণার হাত থেকেও রক্ষা পাবেন।

আরও পড়ুনবিকাশের পিন ভুলে গেছেন? ঘরে বসেই রিসেট করার ৩টি সহজ নিয়ম (USSD ও অ্যাপ)