ঢাকা ১২:৫৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ ::
চাকরির খবর পত্রিকা ৩০ জানুয়ারি ২০২৬: ডাউনলোড করুন আজকের HD পিডিএফ (PDF) বিকেএসপিতে নিয়োগ: শিক্ষক ও প্রকৌশলীসহ ৪ ক্যাটাগরিতে চাকরি, আবেদন ফি ২০০ টাকা ওয়ালটনে ‘টেরিটরি সেলস এক্সিকিউটিভ’ পদে চাকরির সুযোগ ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজে চাকরি: ড্রাইভার পদে বিশাল নিয়োগ ২০ হাজারে এআই ফিচার! দেশে এল টেকনোর ‘Megapad SE’, জানুন বিস্তারিত শিক্ষার্থীদের জন্য ওয়ালটন ও শিখো’র ‘এডুট্যাব’: দাম ১৭,৫০০ টাকা, জানুন বিস্তারিত ফিচার ওপেনএআইয়ের প্রথম হার্ডওয়্যার: জনি আইভের ডিজাইনে আসছে চ্যাটজিপিটি ইয়ারবাডস! দেশে এল ইনফিনিক্স নোট এজ: কার্ভড ডিসপ্লে ও ৬৫০০mAh ব্যাটারির চমক, দাম কত? ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন সিলেবাস ২০২৬: স্কুল ও কলেজ পর্যায়ের পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন এনটিআরসিএ প্রতিষ্ঠানপ্রধান নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি: ফেব্রুয়ারিতে শুরুর আভাস, আসছে ১৯তম নিবন্ধন

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রুটিন ২০২৬: শিফট ও বিষয়ভিত্তিক সময়সূচি

প্রাথমিকের নতুন ক্লাস রুটিন ২০২৬ প্রকাশ: এক ও দুই শিফটে ক্লাস চলবে যেভাবে (বিস্তারিত গাইডলাইন)

আর এম উজ্জল
  • আপডেট সময় : ০৬:৪৯:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে

Primary School Class Routine 2026: জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের জন্য সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর পূর্ণাঙ্গ ক্লাস রুটিন বা সাপ্তাহিক সময়সূচি প্রকাশ করেছে। নতুন এই নির্দেশনায় দেশের এক শিফট এবং দুই শিফটে পরিচালিত বিদ্যালয়গুলোর জন্য আলাদা আলাদা পিরিয়ড সংখ্যা ও সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের ওপর পড়াশোনার চাপ কমানো এবং সহশিক্ষাক্রমিক কার্যক্রমে (Co-curricular Activities) অংশগ্রহণ বাড়ানোর লক্ষ্যে এবারের রুটিনে বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। বিশেষ করে তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য বিষয়ভিত্তিক ক্লাসের পাশাপাশি ‘নিরাময়মূলক ক্লাস’ ও ‘কুইজ প্রতিযোগিতার’ ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

আমাদের শিক্ষা ডেস্ক থেকে আজকের এই গাইডে এক ও দুই শিফটের পার্থক্য, কোন বিষয়ে সপ্তাহে কয়টি ক্লাস এবং প্রধান শিক্ষকদের করণীয় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।

এক নজরে: শিফট অনুযায়ী ক্লাসের সংখ্যা

নেপ-এর নির্দেশনায় দুই ধরনের বিদ্যালয়ের জন্য ভিন্ন ভিন্ন পিরিয়ড সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়েছে:

শ্রেণির নাম এক শিফটের বিদ্যালয় (Daily Period) দুই শিফটের বিদ্যালয় (Daily Period)
১ম ও ২য় শ্রেণি প্রতিদিন ৪টি পিরিয়ড প্রতিদিন ৪টি পিরিয়ড
৩য় থেকে ৫ম শ্রেণি প্রতিদিন ৬টি পিরিয়ড প্রতিদিন ৫টি পিরিয়ড

(দ্রষ্টব্য: দুই শিফটের স্কুলগুলোতে সময়ের স্বল্পতার কারণে ৩য়-৫ম শ্রেণির একটি পিরিয়ড কমানো হয়েছে)

বিষয়ভিত্তিক ক্লাস বণ্টন: সপ্তাহে কয়দিন কী ক্লাস?

নতুন রুটিনে মূল বিষয়গুলোর পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশের জন্য বিশেষ ক্লাসের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ৩য়, ৪র্থ ও ৫ম শ্রেণির বিষয়ভিত্তিক ক্লাসের তালিকা নিচে দেওয়া হলো:

  • বাংলা, ইংরেজি ও গণিত: সপ্তাহে ৫ দিন (প্রতিদিন ক্লাস হবে)।

  • বিজ্ঞান: সপ্তাহে ৪ দিন।

  • ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা: সপ্তাহে ৩ দিন।

  • বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়: রুটিন অনুযায়ী নির্ধারিত।

  • শিল্পকলা: সপ্তাহে ২ দিন।

  • শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য শিক্ষা:

    • ৪র্থ শ্রেণি: সপ্তাহে ২ দিন।

    • ৫ম শ্রেণি: সপ্তাহে ১ দিন।

  • পঠন ও লিখন দক্ষতা উন্নয়ন: ৩য়, ৪র্থ ও ৫ম শ্রেণির জন্য সপ্তাহে ১ দিন।

বিশেষ কার্যক্রম ও সহশিক্ষা

রুটিনে শুধু বইয়ের পড়া নয়, বরং শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে নিচের কার্যক্রমগুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে:

  • হাতের লেখা সুন্দর করা, গল্প বলা ও কবিতা আবৃত্তি।
  • চিত্রাঙ্কন, কুইক-কুইজ এবং উদ্ভাবনী আইডিয়ার চর্চা।
  • ইংলিশ স্পিকিং এবং সায়েন্স প্রজেক্ট।
  • কাবিং (Cubbing) এবং এসআরএম (SRM)।
  • নিরাময়মূলক কাজ (Remedial Class): পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য সপ্তাহে ২ দিন।

প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষকদের জন্য ১১টি জরুরি নির্দেশনা

রুটিন বাস্তবায়নে প্রধান শিক্ষকদের কিছু বিশেষ ক্ষমতা ও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনাগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:

১. রুটিন পরিবর্তন: প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ের ভৌগোলিক অবস্থান বা জরুরি পরিস্থিতি বিবেচনায় (যেমন: চর অঞ্চল, হাওর বা পাহাড়) স্থানীয় শিক্ষা অফিসের সাথে আলোচনা করে রুটিনে সাময়িক পরিবর্তন আনতে পারবেন। ২. মূল্যায়ন সংরক্ষণ: যেকোনো ধরনের পরীক্ষা বা মূল্যায়নের উত্তরপত্র অন্তত এক বছর সংরক্ষণ করতে হবে। ৩. চূড়ান্ত ফলাফল: প্রতিটি বিষয়ে তিনটি প্রান্তিক মূল্যায়নের গড় নম্বরই চূড়ান্ত ফলাফল হিসেবে গণ্য হবে। ৪. শিক্ষক বণ্টন: ১-৫ শ্রেণির ক্লাস নেওয়ার ক্ষেত্রে বিষয়ভিত্তিক দক্ষ ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকদের অগ্রাধিকার দিতে হবে। এতে শিখন-শেখানোর মান বাড়বে। ৫. স্টাফ মিটিং: সুবিধাজনক সময়ে প্রধান শিক্ষক নিয়মিত স্টাফ মিটিং আয়োজন করবেন। ৬. ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী: যেসব বিদ্যালয়ে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর শিক্ষার্থী আছে, সেখানে তাদের নিজস্ব ভাষায় (৩য় শ্রেণি পর্যন্ত) পাঠ্যবই অনুযায়ী ক্লাস নিতে হবে।

মূল্যায়ন পদ্ধতি ও পর্যবেক্ষণ

২০২৬ শিক্ষাবর্ষে ধারাবাহিক মূল্যায়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি প্রান্তিক মূল্যায়ন চলাকালীন প্রধান শিক্ষক লিখিত পরীক্ষার পাশাপাশি মৌখিক বা ব্যবহারিক (Practical) মূল্যায়নও নিতে পারবেন। এটি শিক্ষার্থীদের জড়তা কাটাতে সাহায্য করবে।

নেপ জানিয়েছে, এই রুটিন প্রণয়নে প্রাথমিক শিক্ষা সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের মতামতকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে যাতে করে ২০২৬ সালের শিক্ষাবর্ষটি শিক্ষার্থীদের জন্য আনন্দদায়ক হয়।

ডাউনলোড: আপনি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট বা নেপ-এর ওয়েবসাইট থেকে পূর্ণাঙ্গ রুটিনের পিডিএফ কপি সংগ্রহ করতে পারবেন।

আরও পড়ুনমধুমতি ব্যাংকে “রিটেইল বিজনেস অ্যাসোসিয়েট” পদে নিয়োগ, কর্মস্থল সারা দেশ

নিউজটি শেয়ার করুন

One thought on “প্রাথমিকের নতুন ক্লাস রুটিন ২০২৬ প্রকাশ: এক ও দুই শিফটে ক্লাস চলবে যেভাবে (বিস্তারিত গাইডলাইন)

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

আর এম উজ্জল

আর এম উজ্জল একজন অভিজ্ঞ আইটি প্রফেশনাল, ডিজিটাল মেন্টর এবং Dokkho Lab-এর প্রতিষ্ঠাতা। দীর্ঘ ৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে তিনি টেকনোলজি, ফ্রিল্যান্সিং এবং ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট নিয়ে লেখালেখি ও গবেষণা করছেন। তার মূল লক্ষ্য হলো জটিল টেকনিক্যাল বিষয়গুলোকে সহজ বাংলায় বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা এবং তাদের দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তোলা। তার প্রতিটি লেখা পাঠককে সঠিক দিকনির্দেশনা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রুটিন ২০২৬: শিফট ও বিষয়ভিত্তিক সময়সূচি

প্রাথমিকের নতুন ক্লাস রুটিন ২০২৬ প্রকাশ: এক ও দুই শিফটে ক্লাস চলবে যেভাবে (বিস্তারিত গাইডলাইন)

আপডেট সময় : ০৬:৪৯:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬

Primary School Class Routine 2026: জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের জন্য সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর পূর্ণাঙ্গ ক্লাস রুটিন বা সাপ্তাহিক সময়সূচি প্রকাশ করেছে। নতুন এই নির্দেশনায় দেশের এক শিফট এবং দুই শিফটে পরিচালিত বিদ্যালয়গুলোর জন্য আলাদা আলাদা পিরিয়ড সংখ্যা ও সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের ওপর পড়াশোনার চাপ কমানো এবং সহশিক্ষাক্রমিক কার্যক্রমে (Co-curricular Activities) অংশগ্রহণ বাড়ানোর লক্ষ্যে এবারের রুটিনে বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। বিশেষ করে তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য বিষয়ভিত্তিক ক্লাসের পাশাপাশি ‘নিরাময়মূলক ক্লাস’ ও ‘কুইজ প্রতিযোগিতার’ ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

আমাদের শিক্ষা ডেস্ক থেকে আজকের এই গাইডে এক ও দুই শিফটের পার্থক্য, কোন বিষয়ে সপ্তাহে কয়টি ক্লাস এবং প্রধান শিক্ষকদের করণীয় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।

এক নজরে: শিফট অনুযায়ী ক্লাসের সংখ্যা

নেপ-এর নির্দেশনায় দুই ধরনের বিদ্যালয়ের জন্য ভিন্ন ভিন্ন পিরিয়ড সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়েছে:

শ্রেণির নাম এক শিফটের বিদ্যালয় (Daily Period) দুই শিফটের বিদ্যালয় (Daily Period)
১ম ও ২য় শ্রেণি প্রতিদিন ৪টি পিরিয়ড প্রতিদিন ৪টি পিরিয়ড
৩য় থেকে ৫ম শ্রেণি প্রতিদিন ৬টি পিরিয়ড প্রতিদিন ৫টি পিরিয়ড

(দ্রষ্টব্য: দুই শিফটের স্কুলগুলোতে সময়ের স্বল্পতার কারণে ৩য়-৫ম শ্রেণির একটি পিরিয়ড কমানো হয়েছে)

বিষয়ভিত্তিক ক্লাস বণ্টন: সপ্তাহে কয়দিন কী ক্লাস?

নতুন রুটিনে মূল বিষয়গুলোর পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশের জন্য বিশেষ ক্লাসের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ৩য়, ৪র্থ ও ৫ম শ্রেণির বিষয়ভিত্তিক ক্লাসের তালিকা নিচে দেওয়া হলো:

  • বাংলা, ইংরেজি ও গণিত: সপ্তাহে ৫ দিন (প্রতিদিন ক্লাস হবে)।

  • বিজ্ঞান: সপ্তাহে ৪ দিন।

  • ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা: সপ্তাহে ৩ দিন।

  • বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়: রুটিন অনুযায়ী নির্ধারিত।

  • শিল্পকলা: সপ্তাহে ২ দিন।

  • শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য শিক্ষা:

    • ৪র্থ শ্রেণি: সপ্তাহে ২ দিন।

    • ৫ম শ্রেণি: সপ্তাহে ১ দিন।

  • পঠন ও লিখন দক্ষতা উন্নয়ন: ৩য়, ৪র্থ ও ৫ম শ্রেণির জন্য সপ্তাহে ১ দিন।

বিশেষ কার্যক্রম ও সহশিক্ষা

রুটিনে শুধু বইয়ের পড়া নয়, বরং শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে নিচের কার্যক্রমগুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে:

  • হাতের লেখা সুন্দর করা, গল্প বলা ও কবিতা আবৃত্তি।
  • চিত্রাঙ্কন, কুইক-কুইজ এবং উদ্ভাবনী আইডিয়ার চর্চা।
  • ইংলিশ স্পিকিং এবং সায়েন্স প্রজেক্ট।
  • কাবিং (Cubbing) এবং এসআরএম (SRM)।
  • নিরাময়মূলক কাজ (Remedial Class): পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য সপ্তাহে ২ দিন।

প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষকদের জন্য ১১টি জরুরি নির্দেশনা

রুটিন বাস্তবায়নে প্রধান শিক্ষকদের কিছু বিশেষ ক্ষমতা ও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনাগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:

১. রুটিন পরিবর্তন: প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ের ভৌগোলিক অবস্থান বা জরুরি পরিস্থিতি বিবেচনায় (যেমন: চর অঞ্চল, হাওর বা পাহাড়) স্থানীয় শিক্ষা অফিসের সাথে আলোচনা করে রুটিনে সাময়িক পরিবর্তন আনতে পারবেন। ২. মূল্যায়ন সংরক্ষণ: যেকোনো ধরনের পরীক্ষা বা মূল্যায়নের উত্তরপত্র অন্তত এক বছর সংরক্ষণ করতে হবে। ৩. চূড়ান্ত ফলাফল: প্রতিটি বিষয়ে তিনটি প্রান্তিক মূল্যায়নের গড় নম্বরই চূড়ান্ত ফলাফল হিসেবে গণ্য হবে। ৪. শিক্ষক বণ্টন: ১-৫ শ্রেণির ক্লাস নেওয়ার ক্ষেত্রে বিষয়ভিত্তিক দক্ষ ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকদের অগ্রাধিকার দিতে হবে। এতে শিখন-শেখানোর মান বাড়বে। ৫. স্টাফ মিটিং: সুবিধাজনক সময়ে প্রধান শিক্ষক নিয়মিত স্টাফ মিটিং আয়োজন করবেন। ৬. ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী: যেসব বিদ্যালয়ে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর শিক্ষার্থী আছে, সেখানে তাদের নিজস্ব ভাষায় (৩য় শ্রেণি পর্যন্ত) পাঠ্যবই অনুযায়ী ক্লাস নিতে হবে।

মূল্যায়ন পদ্ধতি ও পর্যবেক্ষণ

২০২৬ শিক্ষাবর্ষে ধারাবাহিক মূল্যায়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি প্রান্তিক মূল্যায়ন চলাকালীন প্রধান শিক্ষক লিখিত পরীক্ষার পাশাপাশি মৌখিক বা ব্যবহারিক (Practical) মূল্যায়নও নিতে পারবেন। এটি শিক্ষার্থীদের জড়তা কাটাতে সাহায্য করবে।

নেপ জানিয়েছে, এই রুটিন প্রণয়নে প্রাথমিক শিক্ষা সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের মতামতকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে যাতে করে ২০২৬ সালের শিক্ষাবর্ষটি শিক্ষার্থীদের জন্য আনন্দদায়ক হয়।

ডাউনলোড: আপনি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট বা নেপ-এর ওয়েবসাইট থেকে পূর্ণাঙ্গ রুটিনের পিডিএফ কপি সংগ্রহ করতে পারবেন।

আরও পড়ুনমধুমতি ব্যাংকে “রিটেইল বিজনেস অ্যাসোসিয়েট” পদে নিয়োগ, কর্মস্থল সারা দেশ